৭ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন
‘বিয়ে, না হলে আত্মহত্যা’ এমন দাবি নিয়ে ঢাকার ধামরাইয়ে এক শিক্ষিকা
তার প্রেমিকের বাড়িতে ৭ দিন ধরে অনশন করছেন। কিন্তু প্রেমিক আমির হোসেন
বাড়ি থেকে ‘উধাও’ হয়ে গেছেন। আমির হোসেনের অভিভাবকরা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে
কালক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বারবার দেন-দরবার করেও বিয়ের ব্যবস্থা
করতে পারছেন না কেউ।
আজ শনিবার সকালে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, ধামরাইয়ের নান্নার গ্রামের
মজিবর রহমানের ছেলে আমির হোসেন প্রায় আড়াই বছর ধরে পাশের লাড়ুয়াকুন্ড
গ্রামের এক কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে
তোলেন। তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গভীর সম্পর্কও করেন। বিয়ে করবে বলেন
আশ্বাস দেন।
গত রবিবার প্রেমিকাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যান আমীর হোসেন। ওইদিন
বিয়ের করার কথা বললে তাকে ধামরাইয়ের জয়পুরা এলাকায় একটি দোকানে বসিয়ে রেখে
বাড়িতে চলে যায় আমির হোসেন। এরপর তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। পরে
নিরূপায় হয়ে ওইদিন বিকালে আমির হোসেনের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান
করতে থাকেন শিক্ষিকা। এরপর বাড়ি থেকে আমির হোসেন চলে যান।
আমির হোসেনের বাবা মজিবর রহমান ও চাচাতো ভাই আবুদল হালিম জানান, আমির
হোসেনের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।
মেয়ের বাবাসহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, বিয়ে করানোর মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে
আবদুল হালিম তার চাচাতো ভাই আমির হোসেনকে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছে।
এদিকে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করা শিক্ষিকা জানান, ‘আমাকে বিয়ের প্রলোভন
দিয়ে আমার সর্বনাশ করেছে আমির হোসেন। এখন সে আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা
করা ছাড়া আমার কোনো উপায় নেই।’