ফারুক আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার :
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে একজন পিপিই পরে আরেকজন মুখ ঢেকে হত্যা চেষ্টার উদ্দেশ্যে মাথায় জখম করে গুরুতর আহত করে। সিসি টিভি ফুটেজে এরকমই দৃশ্য দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন রংপুর পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য।
রংপুর বিভাগীয় পুলিশ প্রধান (ডিআইজি) দেবদাস ভট্টাচার্য্য সাংবাদিকদের জানান, ‘এটা একটা ফৌজদারি অপরাধ। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা হবে। আমরা মামলা করার প্রস্তুতিও নিচ্ছি। আমরা এটাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যতগুলো ইউনিট আছে সবাই মাঠে নেমেছে এবং তদন্ত করছে। আমাদের এখন মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে ধরে আইনের আওতায় আনা।
সিসি টিভি ফুটেজের বিষয়ে তিনি বলেন , ‘প্রাথমিকভাবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। সিসি টিভি ফুটেজের বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। এই মামলার যে তদন্তকারী কর্মকর্তা তিনি সব বিষয় গুলোকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত পরিচালনা করবে। তবে সিসি টিভি ফুটেজে বাড়ির ভেতরে দুজনকে দেখা গিয়েছে বলে তিনি জানান। তার মধ্যে একজন ছিল পিপিই পরা আরেকজন মুখ ঢাকা। তবে এই দুজন বা আরো বেশি কেউ ছিল কিনা এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা সিসি টিভি ফুটেজ গুলো আরো ভালোভাবে দেখছি।’
এ বিষয়ে রংপুর বিভাগী কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব ভূঞা বলেন, ‘এই ঘটনায় কারা জড়িত তাদের দ্রুত ফাইন্ড আউট করে শাস্তির আওতায় আনব।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হলো একটি জনবহুল গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। একটা ঘটনার জন্য সবার মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হবে এটা আমি বিশ্বাস করি না। যে সমস্ত ঘটনা গুলো ঘটে এটা হলো বাংলাদেশের যে উপজেলা গুলো আছে তার মধ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সেটা নিয়ে অন্য গুলির সাথে কম্পেয়ার করার কোন সুযোগ নেই। কাজেই আমার অন্য সহকর্মীরা ঠিকভাবে কাজ করে যাবে। আর এটা কিভাবে ফাইন্ডআউট করা যাবে আমরা সেই প্রচেষ্টা করে যাচ্ছি। সেই সাথে যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে।